ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বিবেকের বাতিঘর : অর্থমন্ত্রী




ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে বিবেকের বাতিঘর বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তিনি বলেছেন, তাকে সাহিত্য জগতের বাতিঘরও বলা যায়। আমি তাকে বিবেকের বাতিরও মনে করি। এই আনিসুজ্জামান অনেকটা সাহসী মানুষ।
আজ শনিবার বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মিলনায়তনে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের ৮১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যৌথভাবে বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি। অনুষ্ঠানে বক্তরা অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, আনিসুজ্জামান অল্প বয়স থেকেই সব দিক দিয়ে দক্ষ। তিনি তাঁর জীবনের দ্বিতীয় বক্তব্যের সময় মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর জীবনে মামলার আসামিও হয়েছিলেন। তিনি যুবলীগের দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাই।
বিশিষ্ট লেখিকা সেলিনা হোসেন বলেন, অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে নিয়ে বিশ্বের অনেক লেখন তাদের মূল্যায়ন ব্যক্ত করেছেন। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের শ্রদ্ধার পাত্র। আমরা তাঁর সুস্থতা কামনা করি।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. শামসুজ্জামান খান বলেন, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান আমার শিক্ষক। তাকে দ্রুত জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাই।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে বলেন, যারা আজকে আমাকে নিয়ে এ সংবর্ধনার আয়োজন করেছে আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমার সাথে এখানে উপস্থিত হয়ে সহধর্মিনী ছিদ্দিকা জামান শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাকেও কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি মূলত নিজেকে একজন শিক্ষক মনে করি। বাংলাদেশের গড় আয়ু যা তা আমি আরো আগেই অতিক্রম করেছি। এখন যেহেতু সুস্থ-স্বাভাবিক আছি বাকী সময়টুকু যেন ভালভাবে কাজে লাগাতে পারি সকলের কাছে সেই সহযোগীতা চাই।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, পেশাজীবী ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তত্বাবায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সচিব আকতারী মমতাজ, জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, শিল্পী হাশেম খান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, প্রাইম ব্যাংক ফিন্যান্সের প্রধান নির্বাহী তবারক হোসেন, জাদু শিল্পী জুয়েল আইচ প্রমুখ।
